সাদা কাপড়ি (পর্ব–১৬): ছায়ার মুখোমুখি
✍ সালমান আহমদ ইলিয়াস
(১৬)
চাঁদের আলোয় ঝিলমিল করছে নদীর জল। মাঝি ছায়ার মতো বসে আছে ডিঙি নৌকায়। আর সেই নৌকায়—চুপচাপ, নিঃশব্দে বসে আছে হাসান। চোখ বন্ধ, মুখে অদ্ভুত শান্তি, যেন গভীর ঘুমে ডুবে।
রিপার বাবা, মনীষা, রাতুল, জালাল উদ্দিন আর রিপা ছুটে আসে ঘাটে। জালাল উদ্দিন পা ডোবাতে না ডোবাতেই রিপার বাবা হাত টেনে ধরলেন।
—না! এখন ভুল পা ফেললে, সে আর ফিরবে না। আগে ওকে চিনতে দিতে হবে—নিজেকে।
তিনি ধীরে আয়নাটা তুললেন, নদীর জলের আলোয় সেটি ঝিলমিল করল।
—হাসান!—ডাকলেন রিপার বাবা।
নৌকার দিক থেকে কোনও সাড়া নেই।
মনিষা চোখের পানি মুছে ফিসফিস করে বলল,
—তুমি তো আমাদের হাসান… প্লিজ, ফিরে এসো…
তখনই নদীর ওপার থেকে মাঝির গলা শোনা গেল—
—সে আমার… আমাকে দেওয়া হয়েছে… বিনিময়ে তোমরা নিরাপদ…
রিপার বাবা ঠান্ডা গলায় বললেন,
—হ্যাঁ, কিন্তু সে নিজে কিছু দেয়নি। প্রতিশ্রুতি তোমার ছিল জালাল উদ্দিনের সঙ্গে, আমাদের সঙ্গে নয়।
নৌকায় বসা হাসান হঠাৎ চোখ খুলল। কিন্তু তা তার নয়—চোখ দুটো পুরো কালো, যেন শূন্যতার গহ্বর।
রিপা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল—
—আয়নাটা… এখন… এখন দেখাও!
রিপার বাবা আয়নাটা নদীর দিকে ছুঁড়ে দিলেন। বাতাসে ঘূর্ণি খেয়ে আয়নাটা নৌকার একদম সামনে পড়ল, হাসানের পায়ের কাছে।
হাসান নিচু হয়ে আয়নায় তাকাল।
দৃশ্যটা থমকে গেল।
হাসানের চোখে ভেসে উঠল তার পুরোনো দিন… মা’র মুখ, ক্লাসরুমে হাসি, বন্ধুদের সঙ্গে খেলা, মায়িদা খালার শাসন আর খালু রাইসূলের স্নেহ।
তার চোখে পানি চলে এল। মুখে ফিসফিস স্বর—
—আমি… আমি কে?
নৌকার পেছনে দাঁড়ানো মাঝির ছায়াটা হঠাৎ কাঁপতে শুরু করল। তার গলার আওয়াজ বদলে গেল।
—না… না… ও এখন আমার…
কিন্তু হাসান এবার উঠে দাঁড়াল। সে আয়নাটা হাতে তুলল, মাঝির দিকে তাকাল।
—তুমি আমার নয়।
তারপর সে আয়নাটা মাঝির মুখের দিকে ধরতেই এক বিকট শব্দে ছায়াটা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। হাওয়া উঠে নদী উত্তাল। চারপাশে গা ছমছমে নীরবতা।
এক মুহূর্ত পর… নৌকা খালি। হাসান ঘাটের পাথরে বসে আছে, নিঃশ্বাস নিচ্ছে ভারী করে। চোখে নিজের ছায়া ফিরেছে।
রিপারা ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরল। সবাই একে একে কাছে এল। জালাল উদ্দিন ফিসফিস করে বললেন—
—আমার সাজানো খেলাটা… এতদূর যাবে ভাবিনি। আমি শুধু ওর বাবাকে কষ্ট দিতে চেয়েছিলাম… কিন্তু এখন আমি নিজেই কষ্টে আছি। ঘুনাক্ষরেও ঠের পায়নি, মাঝি আসলে মানুষই ছিল না
রিপার বাবা তাকালেন আকাশের দিকে।
—খেলা তুমি শুরু করেছ, শেষ করবে ও।
চলবে…
সাদা কাপড়ি (পর্ব–১৭): হারিয়ে যাওয়া ছায়ারা
✍ সালমান আহমদ ইলিয়াস
(১৭)
জালাল উদ্দিন আগুনের সামনে বসে ছিল। চোখে অনুশোচনা, গলায় ভাঙা কণ্ঠ—
—আমি চেয়েছিলাম শুধু একটু প্রতিশোধ... আমার ছেলেটা যেভাবে রিপার বাবার পুকুরে ডুবে মারা গেল, আমি ভাবতাম ওর গাফিলতির জন্যই… তাই ওই মাঝির সাহায্যে ঘটনাটা সাজালাম।
মনীষা, রাতুল, রিপা স্তব্ধ। হাসান হাসপাতালের বিছানায় নিস্তেজ, গায়ে আগুনের মতো তাপ।
—কিন্তু মাঝি! সে তো হঠাৎ... উধাও হয়ে গেল! —রিপা বলল।
জালাল উদ্দিন গভীর শ্বাস নিয়ে বলল, —হ্যাঁ। মাঝি বলেছিল শুধু হাসানকে সামান্য অসুস্থ করবে, একটা নাটক হবে। কিন্তু সাদা কাপড়ি আমাকে ধোঁকা দিলো। ও এখন বাস্তবে ফিরে এসেছে। মাঝিও ওর দাস হয়ে গেছে... মানুষ না ভূত না আত্মা কিছুই বুঝা যাচ্ছে না।
হঠাৎই পেছনের বারান্দায় কাঁপা কাঁপা কণ্ঠ শোনা গেল— —বাবা...
সবাই ছুটে গিয়ে দেখে, জালাল উদ্দিন ছেলে শাহীন দাঁড়িয়ে, কাঁদছে।
—আমি... আমি কোথায় ছিলাম জানি না... একটা অন্ধকার ঘরে ছিলাম... কেউ কথা বলত না... শুধু বলত, ‘তোমার বাবার ভুলের শাস্তি তুমি পাবে’...
পাশেই থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়িয়ে ফুপুর পুরনো কাজের লোক—চোখ ফাঁকা, মুখ বিবর্ণ।
তারা দুজনেই ফিরেছে, কিন্তু স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে—কিছু ভেতরে ভাঙা, কিছু রয়ে গেছে অন্ধকারে।
—ওরা এখন ভালো আছেন। রিপার বাবা তো ঠিকই আছেন, ফিরে এসেছেন। কিন্তু ফুপার স্বামী, ছেলে ও কাজের লোক নিখোঁজ ছিল এবং তারা এখন ফিরে এসেছে, তবে ভেতরে গা ছমছম করা অন্ধকার নিয়ে।
—সবকিছু এখনও শেষ হয়নি… —জালাল উদ্দিন বলল কাঁপা গলায়—সাদা কাপড়ি শুধু শুরু করেছে।
তারপর সে চুপচাপ হাসানের দিকে তাকিয়ে বলল,
—আমার প্রতিশোধ আমাকে ফিরিয়ে দিলো শাস্তিতে।
রিপা হঠাৎ বলে উঠল,
—তাহলে এখন কী হবে?
জালাল উদ্দিন বলল,
—আমাকে ওর সামনে যেতে হবে। একা। কথা বলতে হবে। কারণ আমি শুরু করেছি, আমাকেই শেষ করতে হবে।
চলবে…
সাদা কাপড়ি (পর্ব–১৮): শেষের শুরু
✍ সালমান আহমদ ইলিয়াস
জালাল উদ্দিন রাতের আঁধারে একা বটগাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। চেয়ে দেখছিল সাদা কাপড়ি কোথাও লুকিয়ে আছে। বাতাসে যেন সারা শরীরে আগুন জ্বলছিল। সে জানত, এখন আর পিছু হটবার কোনো সুযোগ নেই।
“তুমি কি আসলে আমার শত্রু, নাকি আমার গোপন বন্ধু?” সে ফিসফিস করে বলল। “তুমি কি আমাকে শেষ করবে, নাকি বাঁচাবে?”
হঠাৎ বাতাসে কেঁপে ওঠা আওয়াজ। সাদা কাপড়ির ভেসে আসা ছায়া ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে লাগল। চোখ লাল, মুখে মৃদু হাসি, যেন সারা গল্পের সব রহস্য তার মুখেই লুকানো।
“জালাল, আমি তোমাকে বাঁচাব, যদি তুমি আমার শর্ত মানো,” একটি ঝিনঝিন শব্দের সাথে কণ্ঠ ফিসফিস করে উঠল।
জালাল দম নিতে পারছিল না। “কি শর্ত?” সে জিজ্ঞেস করল কাঁপা গলায়।
“তুমি তোমার গর্ব ভুলে যাবে, তোমার গোপন সত্য স্বীকার করবে। আর তোমার স্বীকারের বিনিময়ে তোমাকে অন্ধকার থেকে মুক্তি দিবো।”
জালাল একটু থেমে বলল, “আমি তো শুধু প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলাম।”
সাদা কাপড়ির ছায়া হেসে উঠল, “এখন সে প্রতিশোধ তোমার গায়েই লাগবে, যদি তুমি না মেনে নাও।”
জালাল তার মুঠো শক্ত করে বলল, “আমি সব শর্ত মানতে প্রস্তুত।”
সেই মুহূর্তেই বাতাস থমকে গেল, অন্ধকার ছিঁড়ে গেলো, আর জালাল উদ্দিন যেন নতুন আলোতে সিক্ত হলেন।
সে বুঝতে পারল, এই যুদ্ধ কেবল শুরু হয়েছে।
আর সবাই জানত, পরবর্তী অধ্যায়ে সত্যের মুখোমুখি হতে হবে তাদের—সাদা কাপড়ির অতীত ও তার সাথে জালালের মিলন।
চলবে...
সাদা কাপড়ি (পর্ব–১৯): অতীতের মুখোমুখি
✍ সালমান আহমদ ইলিয়াস
(১৯)
রাতের নীরবতা ভেঙে ছোট ছোট পায়ের আওয়াজ বাড়ির গলিতে ভেসে এল। জালাল উদ্দিন ভাবছিল, সব কিছু যেন তার মনের মতো হতে শুরু করেছে। কিন্তু সাদা কাপড়ি তার ভেতরে ধীরে ধীরে শক্তি জমাচ্ছিল।
সে ঘরে ঢুকে বসলো। চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল পুরোনো ছবির খণ্ডাংশ, পুড়ে যাওয়া কাগজের টুকরো, আর মনের গোপন স্মৃতির চিহ্ন। ঠিক তখনই এক গলিত কাগজ তার হাতে এল, যা ছিল বেশ পুরোনো—তারই লেখা অতীতের কিছু কথা।
চিঠিতে লেখা ছিল:
“আমি ভুল করেছিলাম। মাফ করে দাও। আমাকে আরেকটা সুযোগ করে দাও। আমাকে শুধরানোর সুযোগটা অন্ততঃ দাও।
জালাল কাঁপতে লাগল। সে জানত এই সত্য চাপিয়ে রাখা কঠিন। কিন্তু নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বিষাদের মুখোমুখি হওয়াটাই এখন তার একমাত্র পথ।
হঠাৎ দরজা ধাক্কা খেয়ে খুলে গেলো। রিপার বাবা প্রবেশ করলেন, মুখে গভীর শোক আর শান্তির মিশ্রণ।
“আমাদের সময় এসেছে,” তিনি বললেন। “যে অন্ধকারের হাত আমাদের গ্রাস করেছিল, তাকে আমরা শেষ করতে পারব—কিন্তু তার জন্য সবাইকে এক হতে হবে।”
জালাল উদ্দিন ধীরে বলল, “আমি আর পালাবো না। যা করেছি, তার প্রভাব আমার ভেতর জ্বলছে। কিন্তু আমি চাই সেই আগুন দিয়ে অন্ধকার দূর করব।”
সবার চোখে অশ্রু, কিন্তু প্রত্যেকের মুখে ছিল দৃঢ় সংকল্প।
সাদা কাপড়ির অতীতের পর্দা উঠতে শুরু করল—রহস্য, বেদনা, আর প্রতিশোধের গল্প একসাথে। আর এই গল্পের শেষেই আসবে মুক্তি বা অন্তিম অন্ধকার।
চলবে...
সাদা কাপড়ি (শেষ পর্ব): শেষ প্রতিদান
✍ সালমান আহমদ ইলিয়াস
(২০)
রাত গাঢ়। জানালার বাইরে অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। বটগাছের নিচে সবাই জড়ো হয়েছে—রিপা, মনীষা, রাতুল, হাসান, জালাল উদ্দিন আর রিপার বাবা। সেই মাঝিও ফিরে এসেছে হঠাৎ, চেহারায় ক্লান্তি।
মাঝি জালাল উদ্দিন কে বলতে লাগলো আমি মানুষ তবে, সাধারণ কোন ব্যক্তি না। আমার অতীত তোমার বাবার সাথে মিশ্রিত। তোমার সরলতার সুযোগ নিয়ে তোমাকেই শেষ করতে চেয়েছিলাম। এদের (হাসান, রিপা, মনীষা, রাতুল ও রিপার বাবা) উনাদের কোন ক্ষতিই আমার উদ্দেশ্য ছিল না।
--- তোমার সালেহ কী আমি মেরেছি, হাসানের রুপ ধরে সেদিন ধাক্কা দিয়েছিলাম বললো সাদা কাপড়ি।
অন্য একটা আবহ সৃষ্টি করে দ্বিতীয় আরেকটি সাদা কাপড়ির আগমন। রিপা, রাতুল, মনীষারা, হাসান সবাই অবাক। বিস্ময়ে হতভম্ব। কিন্তু রিপার বাবা অবাক নন। যেন তিনি সবই জানেন।
--- রিপার বাবা বললেন রিপাদের উদ্দেশ্য এক সাদা কাপড়ি এ বাড়িতেই ছিলো (জালাল উদ্দিনদের বাড়িতে) আরেকজন ছিল সুন্দরবনের জমিদার বাড়িতে। আসলে ওরা জীন, ভুত কিছুই না। ওরাও মানুষ, কিন্তু সাধারণ মানুষ না। এরা বিশেষ ধরনের মানুষ, যাদের কাছে জীন, ভুতের থেকেও বেশি শক্তি আছে।
রিপা বললো তাহলে এতো ভৌতিক ও অকল্পনীয় ঘটনার মানে
-- ঐটাই তো তার আর সাধারণ মানুষের পার্থক্য। আমি বিষয়টা আগে আন্দাজ করতে পেরেছিলাম। তবে বুঝতে পারছিলাম না তাদের উদ্দেশ্য। পরে সব জেনেছি। বৃদ্ধ মাঝি তাদের পরিকল্পনা মূল হোতা।
তারা চায় জালাল উদ্দিনদের পরিবার নির্বংশ করতে। এমনিতেই তাদের পরিকল্পনা ছিল, তাতে আমাদের যুক্ত বিষয়টা ভৌতিক সাজিয়ে ধামাচাপা পড়ে যেতো। আমার জন্য তাদের তা ব্যর্থ গেলো।
রিপার এমন একটা কিছু বের করলেন, যার ফলে
--- মাঝি বললো রিপার বাবাকে আপনি তো দুই নাম্বারি করলেন। আপনাকে কথা দিয়েছিলাম আপনার পরিবার এবং আপনার বোন তথা জালাল উদ্দিনের পরিবার কে ছেড়ে দেবে, শর্ত আপনিও আমাদের ছেড়ে দেবেন না। এখন আমাদের কথা রাখলেও আপনি রাখছেন না।
--- রিপার বাবা বললেন তোমরা মুক্ত, শুধু একটু ভয় দেখালাম আরকি। তারা চলে গেলো।
পরদিন
রিপারা খুলনা থেকে নিজেদের বাড়িতে যাবে ফুপু , ফুপা (জালাল উদ্দিনসহ) সবাই উপস্থিত।
--- জালাল উদ্দিন ভাই আমার অতীতের ভূল তোমাদের পিছু ছাড়ছে না। এখনও সময় আছে। আছে সময় আছে শুধরিয়ে যাও। গতকাল রাত তো সব বলেছি, আশা করি বুঝেছো এবং স্মরণ হয়েছে। ওরা ভূত না, জীন না কিন্তু তার থেকেও ভয়ঙ্কর। ওরা আবার ফিরে এলে তো আর আমি থাকবো না। তখন কী হবে???
রিপারা সবাই চলে গেলো। জালাল উদ্দিন ভাবতেছেন কত বড় বিপদ থেকে বেঁচেছেন। রিপাদের জন্য নয়, বরং নিজের জন্যই বিপদ ডেকে এনেছিলো।
কালো অতীত যেন বারবার ফিরে আসছে। এ থেকে কী রক্ষা পাওয়া যাবে না। একমাত্র সন্তান শাহীন। তিনি তার বাবার একমাত্র জীবিত সন্তান। বাকিরাও সেইম কালো অতীতের বলি। তার দাদারও একমাত্র জীবিত ছেলে তাঁর বাপ ছিলেন।
কী জালাল উদ্দিনের কালো অতীত। কী এমন জিনিস যা বংশ পরম্পরায় চলে আসতেছে। পিছু ছাড়তেছে না। আর রিপার বাবার এমন কী শক্তি ছিল যার মাধ্যমে তিনি এই মহা শক্তি ধ্বরদের কাবু করতে পারলেন?
জালাল উদ্দিন এসব ভাবতেছেন আর কালো অতীতের অভিশাপ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায় ভাবতেছেন।
সিরজিটি এখানেই শেষ।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়
১| ওরা কারা, যারা জীন নয়, ভূত নয়, কিন্তু রুপ পরিবর্তন করতে পারে। জীন-ভূতের থেকেও শক্তিশালী।
২| রিপার বাবা কোন এমন শক্তি দিয়ে তাদের প্রতিহত করলেন। তার ঐ ছোট আয়নার রহস্য কী?
৩| জালাল উদ্দিনের কালো অতীত কী?
বি.দ্র: এই সিরিজের সিকুয়াল সিরিজ, এর থেকেও ভয়ঙ্কর হরর, ক্রাইম ও সাসপেন্স থ্রিলার লিখবো কী?
আপনারা কী আগ্রহী, মতামত জানাবেন।
